এই মুখোমুখি লড়াইয়ের মৌলিক মডেল (blueprint) আধুনিক ODI ক্রিকেটের একটি ক্লাসিক সংঘর্ষের উপর ভিত্তি করে তৈরি: নতুন বলে দ্রুতগতির অস্ট্রেলিয়ান আক্রমণ বনাম প্রযুক্তিগত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ ভারতীয় টপ-অর্ডার।
ম্যাচের কৌশলগত স্থাপত্য স্পষ্টভাবে দুইটি মূল ধাপে বিভক্ত। প্রথম ১০ ওভারে (Powerplay) স্টার্ক এবং কামিন্স ভারতের শুরুর ব্যাটিং লাইনের উপর সর্বোচ্চ চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করবে, এবং ঠিক কতটি প্রাথমিক উইকেট পড়বে সেটিই ইনিংসের মৌলিক মোট রান নির্ধারণ করবে। যদি ভারতীয় টপ-অর্ডার এই পর্যায় টিকে যায়, তাহলে দলটি ধীরে ধীরে run rate বাড়ানোর জন্য একটি শক্ত প্ল্যাটফর্ম পাবে।
মাঝের ওভারগুলোতে সাধারণত উদ্যোগ চলে যায় ভারতীয় স্পিনারদের কাছে (কুলদীপ যাদব এবং জাদেজা), যাদের কৌশলগত লক্ষ্য হলো অস্ট্রেলিয়ার আক্রমণাত্মক মিডল-অর্ডারের স্কোরিং গতি (Run Rate) ধীর করা এবং death overs-এর আগে শক্তিশালী ফিনিশ গড়ে উঠতে না দেওয়া। ইনিংসের মাঝের অংশ নিয়ন্ত্রণ করা এই ম্যাচের বিশ্লেষণাত্মক মডেলে একটি গুরুত্বপূর্ণ গণিতীয় ভেরিয়েবল হয়ে ওঠে।
বেটরের জন্য প্রধান ট্রিগার হলো টস এবং পিচের অবস্থা। দ্রুতগতির অস্ট্রেলিয়ান পিচে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করা দল (chasing) প্রায়ই বলের স্থিতিশীল বাউন্সের কারণে সুবিধা পায়। তাই সর্বোত্তম বেটিং কৌশল হলো ১৫তম ওভারের পর Live টোটাল মার্কেটে প্রবেশ করা, যখন বলের আচরণ স্থিতিশীল হয় এবং বর্তমান পিচে প্রকৃত par score পরিষ্কার হয়ে ওঠে।
